শান্তির পায়রা উড়ুক

হরিদাস ঠাকুর, সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে যার বিচরণ। একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট, গবেষক ও লেখক হিসেবে বর্ণাঢ্য যাত্রা। তবে তাঁর স্বাচ্ছন্দ্য একমাত্র কবিতায়। কবিতার জার্নিতে সহজ স্বাচ্ছন্দ্য বিচরণে তিনি বেছে নিয়েছেন যাপিত জীবনকে। চমৎকার ও চমকপ্রদ মুন্সিয়ানায় তিনি সমকালীন জীবনের কথা বলেন। মানুষের কথা বলেন। কথা বলেন প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে আশ্চর্য মিতালির। এখানেই হরিদাস ঠাকুরের মুন্সিয়ানা।

‘মরে যায় নদী- মরে যায় প্রাণ- সভ্যতার এ কী হাল?’
(নদীর নাম যমুনা)

কবি শান্তির দিশারি। মননে মগজে যিনি বিশ্বচরাচরে শান্তির আহ্বান করেন। প্রতিষ্ঠা করেন শান্তির মনোময় জগৎ। সেই মানসে হরিদাস ঠাকুর তাঁর ‘শান্তির কপোত উড়ুক’ কবিতায় বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি চান প্রস্ফুটিত গোলাপের পাপড়ি শান্তি খুঁজে নিক হৃদয়ে । তৃষ্ণার্ত মরুতে মরুদ্যান হয়ে ফুটুক স্বস্তির ফোয়ারা। এমন যখন চাওয়া, তখন কবি জানতে চান মানব কেন দানব হয়! তাই তাঁর প্রত্যাশা মানবতার শ্লোগান বেঁধে পূর্ব থেকে পশ্চিমে, উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রদক্ষিণ করুক শান্তির শ্বেত কপোত।

‘শ্বেত পায়রাগুলো শান্তির বার্তা নিয়ে আজ তোমার আঙিনায়
শান্তির সুঘ্রাণ মেখে নাও- শান্তির সুঘ্রাণ ছড়িয়ে দাও সকলের মনে
শান্তির বার্তা নিয়ে পায়রাগুলো উড়ছে আকাশে আজ।’
(শান্তির পায়রা উড়ুক)

প্রেম ভালোবাসার সুকন্ঠ কবি মানবপ্রেমিক। যাপিত তাপিত জীবনে তাই কবির হৃদয় আর্দ্র হয় স্মৃতির বৃষ্টিতে। সেখানে থাকেন কোন কোন স্বজন। কিংবা শুচিস্মিতা মুখ। সেখানে তিনি ঠাঁই দেন ভালোবাসার মানুষদের। রোবটিক জীবনে তাই স্মৃতির বৃষ্টিতে ভিজেন একান্ত কোন সময়। কবি মাহমুদ আল মামুনকে স্মরণ করতে গিয়ে তাই তিনি লিখেন-

‘স্মৃতির বৃষ্টিতে ভেসে যাই
নিউরনে অনুরণ-ঢেউ তোলে স্মৃতির পাখিরা
হুমড়ি খেয়ে পড়ে প্রমত্ত সে ঝড় স্মৃতির বাসরে।’
(স্মৃতির বৃষ্টিতে ভেসে যাই)

হরিদাস ঠাকুরের কবিতা মানব ঘনিষ্ঠ। তিনি মানবতা, প্রেম, শান্তির কথা বলেন। কলম ধরেন বঞ্চিতদের পক্ষে। তাঁর কবিতায় মানবতার মুক্তির গান সহজাত বৈশিষ্ট্যে বিশেষ দ্যুতি ছড়ায়। একারণেই যুদ্ধবাজ ইসরাইলের শান্তি ও নিরাপত্তার নামে ফিলিস্তিনিদের উপর চালানো নরহত্যা বোমাবাজি ও ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে কথা বলেন অকুতোভয়। তাদের ত্রাস ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে হোন মুখর। বলেন-

‘হিংস্র দানবের চোখে হত্যার উল্লাস;
অকারণে প্রাণহানি শত শত লাশ।’
(মুক্তি পাক মানবতা)

আহমেদ মিজান
কবি ও লেখক

শান্তির পায়রা উড়ুক

‘শান্তির পৃথিবী চাই’ বার্তা নিয়ে পায়রাগুলো উড়ছে আকাশে
শান্তির মন্ত্রধ্বনি উচ্চারিত হলে চারিদিকে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়
হৃদয়ে প্রস্ফুটিত গোলাপের পাপড়ি মেলে সুগন্ধ ছড়ায়
স্বস্তির ফোয়ারা ফোটে তৃষ্ণার্ত মরুতে মরুদ্যান হয়ে।

দানব সে জনের মানবে রূপান্তর হোক সহজিয়া গানে
আলোর ঝরনাধারায় অবিরল বৃষ্টিস্নাত অশান্ত পৃথিবীর তাপিত মানুষ
খুঁজে ফেরে জীবনের শান্তির পেয়ালা।

শ্বেত কপোতেরা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে শান্তির বার্তা নিয়ে
মানবতার শ্লোগান পায়ে বেঁধে পূর্ব থেকে পশ্চিমে উত্তর দক্ষিণে
হৃদয়ের উষ্ণতায় ভালোবাসায় লেখা শান্তির ললিতবাণী
ছড়িয়ে দিচ্ছে তারা পরম মমতায়;
শ্বেত পায়রাগুলো উড়ছে আকাশে আজ বর্ণিল রঙধনুর পেলব পরশে।

মানব তুমি আজ দানব কেন হবে?
শ্বেত কপোতগুলোর ডানা কেটে নেবে অকারণ নিষ্ঠুর আঘাতে
উড়তে দাও তাকে- উড়তে দাও নীল আকাশে;
মনের জানালা খুলে দাও
শ্বেত পায়রাগুলো শান্তির বার্তা নিয়ে তোমার আঙিনায়
শান্তির সুঘ্রাণ মেখে নাও- শান্তির সুঘ্রাণ ছড়িয়ে দাও সকলের মনে
শান্তির বার্তা নিয়ে আজ পায়রাগুলো উড়ছে আকাশে।

নদীর নাম যমুনা

স্রোতবতী নদী ছিলো স্রোতহীন আজ তার ধারা
প্রমত্তা যৌবন ছিলো- ছিলো তার তীরভাঙ্গা ঢেউ;
আজ সে শীর্ণকায়া একান্ত গতিহারা
যুবতী সে যমুনারে ফিরে আর পায় নাতো কেউ।

বুকে তার ধুধু চর- বালি পড়ে হয়েছে রুদ্ধ
নদীর বুকেতে নেই সেই গান- মাঝির সেই ভাটিয়ালি ছন্দ;
অস্তিত্বের সংগ্রামে ক্লান্ত নদী- করছে আজ জীবনের যুদ্ধ
বাতাসের কানে কানে বলে নদী- বুকে আমার নীলকন্ঠ বেদনা সে মন্দ।

যান্ত্রিক জীবন আজ বুকে তার রেখে যায় কালো কালো ধোঁয়া
বিষাক্ত নদীর জল- চারিদিকে যেন বড়ই সে ক্লান্ত;
কোথাও প্রাণ নেই- নেই কোন প্রভাতের আলোকদীপ্ত ছোয়া
মৃতপ্রায় নদী আজ কাঁদে শুধু- কাঁদে তার তীর আর প্রান্ত।

মরে যায় নদী- মরে যায় প্রাণ- সভ্যতার এ কী হাল?
বাড়ে যান্ত্রিক বেগ, আবেগ কমে যায়- ফুরিয়ে যায় জীবনের আশা;
নদীর বুকেতে নেই স্রোত-নেই সেই ধীবরের উষ্ণীয় জাল
নদীর মরণে মরে সভ্যতার আদিম সে ভাষা।

ধ্বংস হয় মাছ পাখি- নদীতে বাড়ে হাহাকার
চারিদিক ক্ষয়ে যায়- ক্ষয়ে যায়- ক্ষয়ে যায় তীর;
নদীর বুকেতে চর জাগে- গতি নেই- গতি নেই- সৌন্দর্য অপার;
নদীর বুকেতে নেই সংগ্রামী জীবনের সংগ্রামী বীর।

কাঁদো নদী যমুনা- কাঁদো তুমি-মনে নিয়ে সুতীব্র ক্ষোভ;
তোমার মৃত্যু মানে সভ্যতার ধ্বংস- টেনে আনে মানুষের সর্বগ্রাসী লোভ।

স্মৃতির বৃষ্টিতে ভেসে যাই
(কবি মাহমুদ আল মামুন প্রিয়বরেষুকে হৃদয়াঞ্জলি)

স্মৃতির বৃষ্টিতে ভেসে যাই
নিউরনে অনুরণ-ঢেউ তোলে স্মৃতির পাখিরা
হুমড়ি খেয়ে পড়ে প্রমত্ত সে ঝড় স্মৃতির বাসরে।

সে কবেকার কথা- মনে হয় এইতো সেদিন
কত শত স্পর্শে আবেশিত হৃদয় আকাশ
সুখ স্পন্দনে আনন্দ ঢেউ তোলে।
চক্ষু মুদলেই এসে ভিড় করে কত শত ছবি
শুচিস্মিতা মুখ ভাসে অদম্য প্রত্যাশায়
মাদকতায় ভরে ওঠে মন।

বিধাতার সুদৃঢ় ইঙ্গিতে মিলন মোহনায় তুমি আর আমি
উচ্ছলতা-উজ্জ্বলতায় বিরিঞ্চির ফুল ফোঁটে।
হয়তো হয়েছে মাখামাখি
একটুখানি কম কিংবা হয়তো একটু বেশি।
পাখির পালকের পেলব ছোঁয়ায় ভরে ওঠে মন
উষ্ণতায় কামনায় গ্রন্থির শিকল
বেঁধে ফেলে একসূত্রে তোমায় আমায়।

যমুনার তীরে দেখা প্রভাত বেলায়
টোল পড়া গালে তোমার সলাজ টোকায়
কেমন জাগলো সেদিন শিহরণ দোলা
দূরে নয়-কাছে নয়;
সুদূরের ক্লান্ত শ্রান্ত দিনের সে প্রান্তে
স্মৃতির বৃষ্টিরা অবিরল ঝরে পড়ে
ভাসায় প্লাবণে বন্ধু, পারো কি তা জানতে?

হিমাদ্রির গঙ্গোত্রী

হিমাদ্রি কেন হবো বলো, বন্ধু আমার?
হিমাদ্রি মানে হিমশীতল সুউচ্চ পর্বত,
হিমালয় নাম যার পৃথিবী বিখ্যাত
শ্বেতশুভ্র বরফ আর কনকনে শীত যার আবরণ, আভরণ।
আমি চাই উষ্ণতায় কবোষ্ণ পরশ।

উষ্ণতার জন্য আমি চষে বেড়াই আসমুদ্রহিমাচল,
পাহাড়-পর্বত-নদী-গিরি-বন্দর-মনের নোঙর;
মরুভূমির মরুদ্যান, সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা ক্ষেত
ফুলে ও ফলে সুশোভিত পারিজাত উদ্যান।
উরুসন্ধির্সিথিতে তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফিরি ভালোবাসার প্রস্রবণ।
শীতের পরশে আমি খুঁজে নেই উষ্ণতার কুসুমকুসুম ভালোলাগা।

কেন তবে হিমাদ্রি বলো তুমি আমায় ?
তোমার মাঝে আছে বর্ণিল ইতিহাস, আছে জীবন্ত ভুগোল,
আছে গিরিখাত, আছে নদীর মোহনা, আছে এ্যানাটমির অপার সৌন্দর্য
আছে উষ্ণতার খনি, আছে আগুন, আছে পানি;
হিমাদ্রি বলে তুমি নিভাতে চাও কি তবে তোমার বাসনা?

হিমাদ্রি হবো আমি তোমার কামনায়
তোমার বিহনে আমি হবো সুপারনোভা মহাবিস্ফোরণে
তিলে তিলে ক্ষয়ে ক্ষয়ে হিমাদ্রির বরফ গলে যাবে
দন্ডায়মান হবে সেথা সুপার রকেট, জ্বলন্ত টর্পেডো
তোমার উষ্ণতায় ছুটে যাবে দুরন্ত গতিতে।

কৃষ্ণগহ্বর হবো তুমি যদি চাও
আলোকের দীপ্তশিখা অন্ধকারে দিতে ঢেকে।
তুমি যদি চাও, হিমাদ্রির বরফ গলে হবে মহানদী
তোমার উষ্ণতায় তোমার পরশে
আমি হিমাদ্রি হলে তুমি হবে গঙ্গোত্রী
হিমাদ্রির ভালোবাসার কবোষ্ণ শীতল জল মেখে।

মরুতৃষ্ণা বুকে

মরুতৃষ্ণা বুকে নিয়ে পথ চলি আমি
রিক্ততায় নিঃস্বতায় হাহাকারে কেটে যায় জীবনের সব ক্ষণ
জীবন দিয়ে জীবন চিনি প্রত্যাশার ফাঁকে
আসেনি কেউ, হাসেনি কেউ, বলেনি কেউ ডেকে
‘কেমন আছো বন্ধু তুমি ভাল আছো তো?’

এক সমুদ্র ভালোবাসা বুকের মাঝে আছে
সৈকতে হাঁটি আমি একা একা ফেনিল নিঃসঙ্গে;
সকাল সন্ধ্যা দুপুর রাত আসে এবং যায়
অপেক্ষায় থাকি আর রাতের তারা গুনি
কেউ আসে না, কেউ হাসে না, কেউ বলে না ডেকে
‘ভালোবাসা আছে আমার, চাও কি তুমি নিতে?’

ফুল বাগানে ফুল ফোটে আর আকাশে ওড়ে পাখি
সবুজ ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায় রাখালিয়া গান;
ভাটিয়ালি সুরে সুরে নদীর বুকে ঢেউ
জ্যোৎস্নারাতে মাথার উপর মাতাল করা চাঁদ
কেউ আসে না-কেউ হাসে না-কেউ বলে না বন্ধু
‘হাতটি ধরো, তোমার বুকে রাখবো আমার মুখ।’

জীবন ঘষে আগুন জ্বেলে জীবনের পথ চিনি;
কোথায় যেন সুর কেটে যায় জীবন ছন্দহীন;
হাজার মনের কাছে আমার মনের খোঁজাখুঁজি
ব্যর্থতার সে ঘানি টেনে গুমরে কাঁদে মন;
একা একা পথ চলি আর অপেক্ষাতে থাকি
আসবে কেউ-হাসবে কেউ-বলবে কেউ আবেগভরে হেসে
‘পৃথিবীটা সুন্দর আর সুন্দর তোমার মন;
এসো বন্ধু ভালবাসি, মধুর হোক ক্ষণ।’
মরুতৃষ্ণা বুকে নিয়ে পথ চলছি আমি।

মুক্তি পাক মানবতা

সন্তান বুকের মাঝে, মায়ের ছিন্ন লাশ;
এ কেমন পৃথিবীতে আমাদের বসবাস?
ভয়ার্ত চোখে নিষ্পাপ শিশু শুধু চেয়ে আছে;
ছিন্নভিন্ন একটি হাত ঝুলছে দেখো গাছে।
মায়ের সামনে ছেলের লাশ, বাবার নির্বাক চোখ;
কাঁদতে ওরা ভুলে গেছে, ভুলে গেছে শোক।
এতো কোন যুদ্ধ নয়, হত্যার উৎসব;
নির্বাক পৃথিবী আজ, নিশ্চুপ নীরব।
হিংস্র দানবের চোখে হত্যার উল্লাস;
অকারণে প্রাণহানি শত শত লাশ।
নিজভূমে পরবাসী জন্ম যেন পাপ;
চোখের সামনে মরছে কত ভাই বোন আর বাপ।
দানবের অত্যাচারে মানুষ বড় ক্ষীণ;
সকাল সন্ধ্যা বোমার আঘাত, কাঁদছে ফিলিস্তিন।
একতরফা রক্তবন্যা মানবতা কাঁদে;
শান্তির পায়রা আটক হলো রাজনীতিটার ফাঁদে।
ঘৃণার বারুদ চোখে ধিক্কার জানাই;
এসো বন্ধু শান্তির স্বপক্ষে আমাদের গান গাই।
হিংসাকে আটকে ঘরে, এঁটে দেই খিল;
দানব থেকে মানব হোক ঘাতক ইসরাইল।
শান্তির পায়রা উড়ুক সুনীল আকাশে;
মানবতা মুক্তি পাক, নিকট বসন্ত বাতাসে।

হরিদাস ঠাকুর


জন্ম ১৯৭০ সালের ৩০ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার সীতারামপুর গ্রামে।
পেশা- সরকারি কর্মকর্তা
আগ্রহ - কবিতা, প্রবন্ধ, কথা সাহিত্য, গবেষণা ও কলাম লেখা

প্রকাশিত গ্রন্থ :
হবিগঞ্জের জালালী কইতর হেমাঙ্গ বিশ্বাস: শ্রমিক কারিগর শিল্পী-গবেষণা গ্রন্থ (২০১২ )
জয়নাল আবেদিনের মানবতার পাঠশালা-জীবন কর্ম গবেষণা গ্রন্থ; (২০১৩)
কাব্যডিঙ্গা- ১৬ মুখ যৌথ কাব্য গ্রন্থ (২০১৩)
আধ্যাত্মিক বাতিঘর শাহ আবদুল লতিফ চিশত-জীবন কর্ম মূল্যায়ন-সহসম্পাদনা গ্রন্থ (২০১৩)
কবিতা সুন্দরীর ঘরে নিত্য বসবাস-কাব্যগ্রন্থ (২০১৩)
কতরূপে মা তুমি- দেবীতত্ত্বের উপর গবেষণা গ্রন্থ (২০১৩)
শিষ্টাষ্টকের তৃতীয় শ্লেলাক-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর উপর সহ-আলোচক (২০১১)
সমবায় আন্দোলন: প্রেক্ষিত সামাজিক নিরাপত্তা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন-গবেষণাগ্রন্থ (২০১৩)
চেতনার মশাল-সমাজ চেতনতামূলক প্রবন্ধ সংকলন (২০১৩)
কাব্যডিঙ্গা-২: ৩২ মুখ যৌথ কাব্য গ্রন্থ (২০১৪)
যাঁরা আলোক দিলো ঢেলে: মহাপুরুষদের জীবনকর্ম ও আদর্শিক গবেষণা গ্রন্থ (২০১৪)
ময়মনসিংহের সমবায় ইতিবৃত্ত: সমবায় গবেষণা গ্রন্থ (২০১৫)
মতুয়া ধর্মদর্শন: মানবমুক্তি ও মানবতাবাদ (২০১৭)
জীবন ভ্রমণ জীবন দর্শন (জীবন দর্শন গ্রন্থ) (২০১৮)
সমবায়ের বহুমাত্রিকতা (সমবায় বিষয়ক প্রবন্ধ সংকলন) (২০১৯)
হাত বাড়ালেই সমবায় হাতের মুঠোয় সমবায় [সমবায় সেবকের সাফল্য সন্ধান: তত্ত্ব-দর্শন ও প্রয়োগ] (২০২০)
সমবায় অধিদপ্তরের লেখক-গবেষক-চিন্তক: একটি প্রায়োগিক অনুসন্ধান (২০২০)
সমবায় আঙিনায় সৃজনশীলতার আলো: একজন আমিনুল ইসলাম; (সম্পাদনা) (২০২০)
কবি তপন বাগচীর মনন-দর্শন (২০২০)।

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার:

শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন স্মৃতি রক্ষা পর্ষদ সাহিত্য পুরস্কার-২০১২।
মাইকেল মধুসূদন গাঙচিল সাহিত্য সম্মাননা- ২০১৩।
বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমী পুরস্কার-২০১১।
মহীয়সী সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্মাননা-২০১৩।(৫) স্বতন্দ্র সাহিত্য সম্মানা-২০১৪।
গ্রাম্য শিক্ষা সম্প্রসারণ (বিশেষ সহায়তা) সংস্থা (সেইভ) সাহিত্য সংবর্ধনা-২০১৪ (ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ)।
শ্রী হরিচাঁদ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ‘গুরুচাঁদ পদক-২০১৪’।
নরসিংদী জেলার শ্রেষ্ঠ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা হিসেবে সম্মানা ও পুরস্কার প্রাপ্তি (২০১৬)
উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য সমবায় অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার প্রাপ্তি (২০১৬)।

মোবাইল : মোবাইল-০১৭১২০০৫২১৪
ই-মেইল: srslbs4667@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: