শেষ রাতের তারা

ঝড়ের ভেতর গিয়ে এগিয়ে চলেছে নর্থ বেঙ্গল এক্সপ্রেস। আমরা দু’জন যাত্রী পুরো একটি ফাষ্ট ক্লাস কমপার্টমেন্ট দখল করে আছি। কিছুক্ষন

Read more

আলবদরের স্ত্রী

ভোর চারটা পঞ্চাশের ট্রেন ধরার জন্য আরমান সোয়া চারটায় ঘর থেকে বেরিয়েছে। গেট খুলে রাস্তা নেমেই রিকশা পায়নি। কাজেই কিছুটা পথ হাঁটতেই হলো। কাঠগোলা বাজার পর্যন্ত হেঁটে প্রধান সড়কে উঠে রিকশায় চাপলো। পুরাতন জেলা শহরের জংশন স্টেশনে পৌঁছতে পনের মিনিট সময় লাগে তার। ট্রেন আসার দশ মিনিট আগেই ষ্টেশনে পৌঁছলো আরমান। অগ্রিম

Read more

মাধবীলতা ও মার্চের মধ্যাহ্ন

পথের ধারে সাদা ছোট্ট দো’তলা বাড়ি। নামফলকে বাড়ির নাম। মাধবীলতা। এসব নাম নিয়ে আমার কখনো কোনো বাড়তি কৌতূহল হয় না। এসব নামকে বরং আমার কেমন আদিখ্যেতা মনে হয়। ফুলের রাজা গোলাপ হলেও এই নামে আমি কোনো বাড়ির নাম দেখিনি যেমন দেখি করবী, রজনীগন্ধা, মাধবীলতা- এই সব ফুলের নামে।আমরা চার বন্ধু আজিজ সড়কের পাশের অই বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আনাম খেয়াল করেছিল সাদা মার্বেল পাথরের উপর খোদাই করে কালো কালির প্রলেপ দিয়ে লেখা ‘মাধবীলতা”। খুব নিরিখ করে না দেখলে চোখে পড়বে শুধু ‘বীলতা’ ‘মাধ’ লেখার কালো রঙ মুছে গেছে। নদী মরে গেলেও যেমন রেখা থেকে যায় মাধবীলতা’র মাধ মুছে যাওয়ার পরও আনামের শকুন চোখ মাধবীলতার পদরেখা ধরে আবিষ্কার করে বাড়িটির নাম মাধবীলতা।

Read more

একটি দৃশ্যের পজেটিভ

হাসপাতালের লাশকাটা ঘরের পাশটাকে সবাই ভয় পায়। কুমু অন্ধকার ওই স্থানটাকে আবিষ্কার করে। এই রাতে তার হিমশীতল হয়ে আসা রক্ত আস্তে আস্তে প্রবাহমান হওয়ার পর সে জানে, তার অস্তিত্বে এক ভদ্রলোক আছে- যে তার রক্ত প্রবাহেরই একজন।

Read more

বিকট শব্দের সে হাসি

আজ থেকে প্রায় তিপ্পান্ন বছর আগে কুমিল্লা শহরের যুক্তিখোলা থেকে বাবা নোয়াব আলীর ভিটা ছেড়ে বাউরখুমা গ্রামে আশ্রয় নেয়। তখন তার বয়স সাত বছর। অপরিচিত ও মুসলিম হওয়াতে প্রথম প্রথম তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। কেননা তখন বাউরখুমা গ্রামটিকে একমাত্র হিন্দুরাই শাসন করত। মুসলিম বলতে হাতে গোনা কয়েকজন। তারমধ্যে বদির আলীই একটু সাহসী ছিলো। সে এ গ্রামে আসার ক’বছর পর শুরু হলো যুদ্ধের এক সংকেত। রাজপথ থেকে গ্রামের আধা কাঁচা, পাকা পথের মাঝে দশ বারজন নওজোয়ান এক সাথে হয়ে স্লোগান দেয়-

Read more